পোস্টগুলি

ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ঝরা পাতার ভীরে

ছবি
☞◑রাজলক্ষ্মী মৌসুমী: ফাগুনের উরু উরু  বাতাসে তোমায়   মিলাতে পারিনা। ঝরা পাতার  ভীরে  নিজেকে সঁপে দিতে চেয়েছি বহুবার। চিৎকার  করে বলেছি ঝরা পাতা গো আমি তোমাদেরি দলে। কিন্তু  হায়  কে  শুনে কার কথা। আমাকে জানতেও চাইলে না, আমি কে?  কি আমার পরিচয়। আমি  যে ধুকে ধুকে  জমানো কষ্টগুলোকে সযতনে রেখেছিলাম তোমায় বলবো বলে। তোমার রক্ত কথা  বলে মানুষের বইয়ের পাতায় পাতায়। নাইবা হলো দেখা। তুমি ঘুমিয়ে আছো ছায়ানীড়ের  মাটির ক্রোড়ে। শুধুই কি সালাম, বরকত, রফিক  আরো  কত  সতেজ লাল রক্ত মানচিত্রকে পবিত্র  করেছে। জানি ভাই -- সেই অগনিত  ভাইয়েদের মাঝেই তুমি আছো। বসন্তের  ঝরাপাতাগুলো দখিনা  বাতাসে   এলোমেলো  হয়ে  উড়ে যায় তাঁদের ঠিকানা খোঁজে। আমি জানি, সুন্দর প্রকৃতির মাঝেই শান্তির ভূমিতলে তুমি আছো। একুশ কথা বলে  সারা বিশ্বে মাতৃভাষা  দিবসের পদবী নিয়ে। প্রিয় ভাইয়েরা,   আমাদের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার অর্ঘ্যের নিবেদন  নিও পদতলে। তোমার সাথে দেখা হবে নিশ্চয়ই...

ফেলে আসা সেই জীবন

ছবি
লেখক : মুহম্মদ আজিজুল হক, চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত-বহুবছর পরে এই তো সেদিন দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্টস ফ্যাকাল্টি এলাকায় গিয়েছিলাম একটি প্রয়োজনে। চতুর্দিকে দৃষ্টি মেলে দেখতেই অতীতস্মৃতিকাতরতায় পেয়ে বসলো আমাকে। এই সেই প্রিয় Alma Mater যেখানে প্রায় অর্ধশতাব্দীকাল পূর্বে আমরা পড়ালেখা কোরেছি। আমরা, অর্থাৎ আমার সহপাঠী-সহপাঠিনীগণ ও আমি। আমরা ১৯৭৪-এর সেপ্টেম্বর থেকে ১৯৮০-র মার্চ পর্যন্ত (যদি ভুল না কোরে থাকি) এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজী বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলাম। ভাবলাম, হাতে যখন আধাঘন্টাখানেক সময় আছে তখন কালের আবর্তনের মাঝে নিজের হারিয়ে যাওয়া স্মৃতি হাতড়িয়ে সময়টা কাটাই।  বিশ্ববিদ্যালয় খোলা ছিল। লাঞ্চব্রেক চলছিল। তাই ছাত্রছাত্রীদের পদচারণায়, তাদের আলাপনে ও কলগুঞ্জনে মুখর ছিল কলাভবনের বহিরাঙ্গনটি, বিশেষ কোরে লাইব্রেরীর সম্মুখের অস্থায়ী ফুডষ্টল, কলাভবনের ক্যাফেটেরিয়া (আমাদের সময়ে এটি ছিল না) ও মধুর ক্যান্টিন এলাকা জুড়ে। ছোট এ ফুডষ্টলটিতে বেশ সস্তায় মুখরোচক খাবার মেলে। যেমন, চিকেন ভুনা খিচুড়ি ৩৫ টাকা, ফ্রাইড চিকেন এন্ড রাইস ৩৫ টাকা, ফ্রাইড চিকেন ১০ টা...