পোস্টগুলি

ঝরা পাতার ভীরে

ছবি
☞◑রাজলক্ষ্মী মৌসুমী: ফাগুনের উরু উরু  বাতাসে তোমায়   মিলাতে পারিনা। ঝরা পাতার  ভীরে  নিজেকে সঁপে দিতে চেয়েছি বহুবার। চিৎকার  করে বলেছি ঝরা পাতা গো আমি তোমাদেরি দলে। কিন্তু  হায়  কে  শুনে কার কথা। আমাকে জানতেও চাইলে না, আমি কে?  কি আমার পরিচয়। আমি  যে ধুকে ধুকে  জমানো কষ্টগুলোকে সযতনে রেখেছিলাম তোমায় বলবো বলে। তোমার রক্ত কথা  বলে মানুষের বইয়ের পাতায় পাতায়। নাইবা হলো দেখা। তুমি ঘুমিয়ে আছো ছায়ানীড়ের  মাটির ক্রোড়ে। শুধুই কি সালাম, বরকত, রফিক  আরো  কত  সতেজ লাল রক্ত মানচিত্রকে পবিত্র  করেছে। জানি ভাই -- সেই অগনিত  ভাইয়েদের মাঝেই তুমি আছো। বসন্তের  ঝরাপাতাগুলো দখিনা  বাতাসে   এলোমেলো  হয়ে  উড়ে যায় তাঁদের ঠিকানা খোঁজে। আমি জানি, সুন্দর প্রকৃতির মাঝেই শান্তির ভূমিতলে তুমি আছো। একুশ কথা বলে  সারা বিশ্বে মাতৃভাষা  দিবসের পদবী নিয়ে। প্রিয় ভাইয়েরা,   আমাদের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার অর্ঘ্যের নিবেদন  নিও পদতলে। তোমার সাথে দেখা হবে নিশ্চয়ই...

ফেলে আসা সেই জীবন

ছবি
লেখক : মুহম্মদ আজিজুল হক, চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত-বহুবছর পরে এই তো সেদিন দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্টস ফ্যাকাল্টি এলাকায় গিয়েছিলাম একটি প্রয়োজনে। চতুর্দিকে দৃষ্টি মেলে দেখতেই অতীতস্মৃতিকাতরতায় পেয়ে বসলো আমাকে। এই সেই প্রিয় Alma Mater যেখানে প্রায় অর্ধশতাব্দীকাল পূর্বে আমরা পড়ালেখা কোরেছি। আমরা, অর্থাৎ আমার সহপাঠী-সহপাঠিনীগণ ও আমি। আমরা ১৯৭৪-এর সেপ্টেম্বর থেকে ১৯৮০-র মার্চ পর্যন্ত (যদি ভুল না কোরে থাকি) এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজী বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলাম। ভাবলাম, হাতে যখন আধাঘন্টাখানেক সময় আছে তখন কালের আবর্তনের মাঝে নিজের হারিয়ে যাওয়া স্মৃতি হাতড়িয়ে সময়টা কাটাই।  বিশ্ববিদ্যালয় খোলা ছিল। লাঞ্চব্রেক চলছিল। তাই ছাত্রছাত্রীদের পদচারণায়, তাদের আলাপনে ও কলগুঞ্জনে মুখর ছিল কলাভবনের বহিরাঙ্গনটি, বিশেষ কোরে লাইব্রেরীর সম্মুখের অস্থায়ী ফুডষ্টল, কলাভবনের ক্যাফেটেরিয়া (আমাদের সময়ে এটি ছিল না) ও মধুর ক্যান্টিন এলাকা জুড়ে। ছোট এ ফুডষ্টলটিতে বেশ সস্তায় মুখরোচক খাবার মেলে। যেমন, চিকেন ভুনা খিচুড়ি ৩৫ টাকা, ফ্রাইড চিকেন এন্ড রাইস ৩৫ টাকা, ফ্রাইড চিকেন ১০ টা...

জীবন যুদ্ধ

ছবি
    (লেখক: মোঃ রাকিব হোসেন)  পথ হারানো পথিক আমি, খুজি সারাক্ষণ,  জীবন যুদ্ধের পথিক আমি, ভাঙ্গে না তবু মন।  হাসির মাঝে দুঃখ টুকু, থাকে লুকিয়ে, ভেঙে পড়া মনটুকু, যাবে না তো হারিয়ে।  শৈশবের স্মৃতিগুলো, ছিল কত ভালো, খেলাধুলার মাঝে জীবন, শুধু কেটে যেত।  হারানো স্মৃতিগুলো, আসবে না আর ফিরে,  ভেঙে পড়া মন আমার, যাবে হারিয়ে।

অশ্রু ঝরা কান্না

ছবি
...... লেখক: মোঃ রাকিব হোসেন..... হয়তো বা বেঁচে  আছি, নীরবের কান্নায়, কেউ দেখে হাসি খুশি, ভিতরে যে অশ্রু । নিরবে কাঁদি আমি, হাসি সারাক্ষণ,  হৃদয়েতে আছে, শুধু কষ্ট  চাপা ।  ভেঙে যাওয়া মনটা যে, কি যেন খুঁজে, কান্না হাসির পৃথিবী তে, সব রবে পরে।। ভেঙে যাওয়া মনটা যে, শুধু পরে রবে, পৃথিবীর মায়া ছেড়ে, যাবো বহু দূরে ।  কে যেন ডাকছে আমায়, হঠাৎ পিছু থেকে,  হাসি-কান্নার মাঝে যেন, প্রানটি যাবে উড়ে।  ভেঙে যাওয়া মন আমার,আসবেনা আর ফিরে, পিছু থেকে ডাকছে আমায়, যাব বহু দূরে।

আমি শ্রাবণের অশ্রু"

ছবি
                                                                                 রাজলক্ষ্মী মৌসুমী :- ১৫ই আগষ্ট  কেনো? আমি কি তোমাদের  শ্রাবণের  এক কোণে জায়গা করে নিতে পারিনা? আমি যে বাংলার পথ, ঘাট, মাঠ, ক্ষেত ও অসহায় মানুষকে বড় ভালোবাসি। শ্রাবণের মেঘের ভেলায় খুঁজে নিও আমায়।  বড় সাধ জাগে আর একটিবার  আসি ধরায়। ঝিরিঝিরি  বৃষ্টিতে  মেঠো পথে কত হেঁটেছি  যতদূর  চোখ যায়। ছোট ছোট পাথর কণা  কুড়িয়ে  এনেছিলাম নিজের সমাধি নিজেই গড়বো বলে। পাপিষ্ঠরা আমাকে  অপাংক্তেয়  করে দিলো।  সেই সমাধি  সমাদৃত  অতঃপর হলো বহু বছর পরে। সবুজ পাতায় মায়া মমতায়  রেখে এসেছি  তোমাদের ভালোবাসা। থেকে থেকে বুকটা ধুকধুক  করে - প্রাণটা উজার করে দিয়ে এসেছি তবুও  আমার  গড়া  নিজের নৌকাটা  স্তব্ধ হয়...

⚫🦜 মৃত্যু! 🦜⚫

ছবি
      🦚 লেখক: মোঃ রাকিব হোসেন 🦜 🦚🦚🦜🦚🦜🦚🦜🦚⚫🦚🦜🦜🦚🦚 মায়ার এই পৃথিবী ছেড়ে, যেতে হবে একদিন,  রেখে যাবে স্মৃতিগুলো, পরে রবে সেইদিন।  কত স্মৃতি পরে রবে, দেখবে সজন প্রীতি,  মায়ার এই পৃথিবী গুলো, রবে শুধু  স্মৃতি ।  দেহ থেকে প্রাণ যখন, যাবে যে উড়ে, দেহ তোমার পরে রবে, শুধু মাটির উপরে। ক্ষমতা আর অহংকার, সবই যাবে মিশে,  পরে রবে মাটির গুহায়, সারা জীবন ভরে।

স্মৃতির বক্ষে অতীত".

ছবি
                                                                                             রাজলক্ষ্মী মৌসুমী : ভালোবাসার সৌধ মিনারে দেখা হয়েছিলো দু"জনায়। অজানা  অনাবিল সুখের ছোঁয়া লেগেছিলো  ভাবনায়। কি আশায় যেনো  স্বপ্ন বুনার কাল্পনিক  সুতোয়  তোমায়   আঁকড়ে  নিলাম অন্তরে।   শ্রাবণের মেঘের  জলের ধারায়  অবারিত মাঠে কতো না সিক্ত হয়েছি  বারে বারে। আজো যেনো সেই স্মৃতি  অমলিন।  একদিন কাঙ্ক্ষিত স্বর্গ আমার   দরজায়।  দু'জনে মিলে যখন   বিশাল সাগর সৈকতে,  প্রকৃতি  উপহার  দিলো আমাদের দু'জনার বসন্তকে। অবশেষে পানকৌড়ি  নৌকায় দু'জনে   সূদুর নীল পাহাড়  চূড়ায়  পৌঁছে  গেলাম।  স্বপ্নসুখের  পায়রা উড়ে বসলো ...