আমি শ্রাবণের অশ্রু"
রাজলক্ষ্মী মৌসুমী :-
১৫ই আগষ্ট কেনো? আমি কি তোমাদের শ্রাবণের এক কোণে জায়গা করে নিতে পারিনা?
আমি যে বাংলার পথ, ঘাট, মাঠ, ক্ষেত ও অসহায় মানুষকে বড় ভালোবাসি।
শ্রাবণের মেঘের ভেলায় খুঁজে নিও আমায়।
বড় সাধ জাগে আর একটিবার আসি ধরায়।
ঝিরিঝিরি বৃষ্টিতে মেঠো পথে কত হেঁটেছি যতদূর চোখ যায়।
ছোট ছোট পাথর কণা কুড়িয়ে এনেছিলাম
নিজের সমাধি নিজেই গড়বো বলে।
পাপিষ্ঠরা আমাকে অপাংক্তেয় করে দিলো। সেই সমাধি সমাদৃত অতঃপর হলো বহু বছর পরে।
সবুজ পাতায় মায়া মমতায় রেখে এসেছি
তোমাদের ভালোবাসা।
থেকে থেকে বুকটা ধুকধুক করে -
প্রাণটা উজার করে দিয়ে এসেছি তবুও আমার গড়া নিজের নৌকাটা স্তব্ধ হয়ে বালুচরে থমকে যায়।
এতটুকুওকি করিনি বা রেখে আসিনি তোমাদের কাছে?
বুকে হাত দিয়ে বলো তো? কী দোষে আদিষ্ট হলো
আমার এই মৃত্যু দশা?
পলে পলে সয়েছি বহু দুঃখ বেদনা।
আমার সাজানো বাগান, গড়া নৌকা যদি কখনও থমকে যায় আমার অশ্রুতেই বার বার ভেসে উঠবে।
কৃষকের ঘাম ঝরা ফসল নিয়ে মাঝি বৈঠা হাতে
আবার ভাটিয়ালি গান ধরবে।
আমার বাংলার সেতু, মাঠ, ঘাট, পথে প্রান্তরে
আমার রক্ত মিশে আছে,
আমার সন্তানরা যেনো দুধে - ভাতে বাঁচে।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন